শেখ হাসিনা রেগেমেগে বললেন, “কোটার দরকার নেই”

গতকাল সংসদে কথা বলার সময়, চলমান আন্দোলনের প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে শেখ হাসিনা বলেছেন যে, কোটার দরকার নেই। আসলে, রেগেমেগ নয়, উনি যদি বুদ্ধিমত্তার সাথে ভেবে দেখেন, উনি বুঝতে পারবেন যে, দেশে কোটার দরকার নেই, দরকার “চাকুরী সৃষ্টি করার”।

আসলে, আজকে কোটার তেমন দরকার নেই; শুরুতেও কোটার দরকার ছিলো না: দেশের প্রথম সরকারের অদক্ষতার কারনে “কোটা” একটা সমাধান হিসেবে জন্ম নিয়েছিল: অনগ্রসর জনগোষ্ঠী, পিছিয়ে থাকা জনপদের মানুষদের তুলে আনতে কোটার প্রচলন করা হয়েছিলো; সরকারে কিছু ভালো মানুষের দরকার ছিলো, সেজন্য “মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের জন্য কিছু কোটার দরকার ছিলো”।

এখন জাতির কাছে যেই পরিমাণ ক্যাশ আছে, দেশে যেই পরিমাণ সম্পদ আছে, যেই পরিমাণ মানব সম্পদ আছে, শেখ হাসিনা যদি দক্ষ লোকদের নিয়ে বসেন, দেশে কোন বেকার থাকর কথা নয়। উনি যদি মুহিত, মেনন, ইনু, মতিয়াদের নিয়ে বসে, উনি চোখে জোনাকি দেখবেন শুধু; ঐ লোকগুলো অদক্ষ।

এই ধরণের একটা প্রতিবাদের দরকার ছিলো, উনি বেগম জিয়াকে জেলে পাঠায়ে দিয়ে অলস সময় কাটাচ্ছেন; উনি যেই পদে বসে আছেন, ওখানে ঝিমানোর সময় নেই, জাতি বেশী কষ্টে আছে; জাতির শিক্ষিত সন্তানেরা বেকার; ওরা চাকুরীর অভাবে ঠিক সময়ে বিয়েও করতে পারছে না।

আশা করছি, উনি রেগেমেগে যা বলেছেন, সেটা থেকে যেন সরে না যান। সামনের দিন গুলোতে বেশী বেশী সরকারী চাকুরীর দরকার হবে; প্রশ্নফাঁস-করা মেধাবীদের সরকার ছাড়া কে নেবে?